দেশ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
দেশ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২১

প্রসঙ্গ : বিদেশের কল্পিত ভ্যাকসিন আবিষ্কার এবং ভারতের বাস্তবায়িত ভ্যাকসিন ।


    লকডাউনের শুরুতে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা গিয়েছিল কমিউনিস্ট কিউবা করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কার করল যদিও সেই কল্পিত ভ্যাকসিন আজ পর্যন্ত কোন ভারতবাসী পায়নি শেষ পর্যন্ত সবাইকে সেই ভারতের তৈরি ভ্যাকসিনের উপরেই নির্ভর করতে হল । সৎ মা কোনদিন নিজের মা হয়না এটা কেউ প্রথমে বোঝে কেউ দেরিতে বোঝে । এমনকি অনেকে দাবি করেছিল দশ দিনের মধ্যে ভ্যাকসিন চাই সামান্য জ্ঞান থাকলে জানা উচিত একটা ভ্যাকসিন আবিষ্কার করতে ১৫ থেকে ১৮ মাস সময় লাগে কারণ ভ্যাকসিন এর কয়েকটি পর্যায় রয়েছে এবং প্রতিটি পর্যায়ে পর্যবেক্ষণ করতে হয় কিন্তু ভারতের বিজ্ঞানীরা দিনরাত পরিশ্রম করে তার থেকে অনেক কম সময়ে ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেছেন সেইসঙ্গে সকল ভারতবাসীকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়ার চেষ্টা চলছে যে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসা চালিয়ে গিয়েছিল তাদের উদ্দেশ্যে মোমবাতি জ্বালানো নিয়েও অনেকে কটাক্ষ করেছিলেন । যারা চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উৎসাহিত করার জন্য মোমবাতি জ্বালিয়েছিলেন তারা অন্ধবিশ্বাসে জ্বালিয়েছিলেন এরকম ভাবার কোন কারণ নেই । মোমবাতি জ্বালালে ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়না সেটা সবাই জানে কিন্তু চিকিৎসক ও বিজ্ঞানীদের উৎসাহিত করার কাজে লাগে । সমরাঙ্গনে সৈনিকরা যুদ্ধ করেন কিন্তু দেশবাসীকে সেই সৈনিকদের উৎসাহিত করতে হয় যাতে সৈনিকরা জয়ী হতে পারে । যুদ্ধে যোদ্ধার অনুপ্রেরণা একটা বিরাট ভূমিকা পালন করে । ভারতীয় মস্তিষ্ক বিশ্বের অন্যান্য দেশের মস্তিষ্কের তুলনায় অনেক বেশি  উর্বর শুধু প্রয়োজন সদিচ্ছা, সহযোগিতা এবং অর্থ বরাদ্দ । সেই জন্য ভারত সরকারকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির গবেষণায় আরো বেশি করে অর্থ বরাদ্দ ও সহযোগিতা করতে হবে এবং দেশের কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের দেশের মধ্যেই কাজ করার সুযোগ দিতে হবে । তাদের যাতে দেশে কাজ না পেয়ে বিদেশে না যেতে হয় সেটা সুনিশ্চিত করতে হবে । ভারতীয় মেধাবী ছেলেমেয়েরা বিদেশে পাড়ি দেয় বিদেশের প্রতি অন্ধ মোহে সবক্ষেত্রে এটা সঠিক নয় অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভারতে গবেষণা করার সুযোগ পায়না সেই সুযোগটা নেয় উন্নত দেশগুলি । উন্নত দেশগুলি কম পারিশ্রমিকে দিয়ে ভারতীয় মেধা নিজেদের দেশে কাজে লাগাচ্ছে । অর্থ ও পরিকাঠামো বিদেশের , উর্বর ভারতীয় মেধা সস্তায় কিনে নিচ্ছে তারা এবং উৎপাদিত পণ্য সারাবিশ্বে বিপুল লাভে বিক্রি করে সমৃদ্ধ হচ্ছে উন্নত দেশগুলি । তাদের উন্নতির এটাই রসায়ন ।
   এ প্রসঙ্গে আরো একটি কথা বলা দরকার ভারত কিন্তু ভ্যাকসিন আবিষ্কার করার আগেই করোনা পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে নিয়ে চলে এসেছে অথচ উন্নত দেশগুলি পারেনি  সেটা চিকিৎসকদের প্রচেষ্টাতেই সম্ভব হয়েছে অথচ বিপুল জনসংখ্যা ও জনঘনত্বের দেশ ভারত । বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান তাঁর একটাই কাজ মাঝে মাঝে ' আরো নতুন ভাইরাস আসছে এই সমস্ত কথা বলে ভয় ধরানো 'যদিও তাঁর তত্ত্বের কোন সারবত্তা পাওয়া যায়নি অথচ করোনা মহামারী এটা সময়মতো ঘোষণা নাকরে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে তার পরে ঘোষণা করা হয়েছে নাহলে ভারত তথা বিশ্ব ক্ষয়ক্ষতি অনেক এড়াতে পারতো । এই মহামারিতে ভারত যেটা প্রমাণ করলো ভ্যাকসিন আবিষ্কার করার আগে মহামারী নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছে ভারত এবং ভ্যাকসিন আবিষ্কার করে বাস্তবায়িত করেছে ভারত । সদিচ্ছা ও সহযোগিতা থাকলেই ভারতীয় প্রশাসন অনেক কিছু বাস্তবায়িত করতে পারে প্রমাণিত সত্য । করোনার যে নিউ স্ট্রেন পাওয়া গিয়েছে ভারত সেখানে প্রথমেই  বৃটেনের সাথে উড়ান বন্ধ করেছে এবং যে যাত্রীরা এসেছে প্রত্যেকের শারীরিক পরীক্ষা করা হয়েছে । প্রথম করোনা মহামারীর ক্ষেত্রে ভারত একটু দেরি করে ফেলেছিল সেটাতে কিছুটা সরকারি ভবিষ্যৎ ভাবনার অভাব ছিল তবে পুরোপুরি সরকারি গাফিলতি ছিল বলা যায়না কারণ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মহামারী ঘোষণা করেছে অনেক দেরিতে কোন কারণ না দেখিয়ে একটা দেশ আন্তর্জাতিক উড়ান হঠাৎ করে বন্ধ করে দিলে অন্য প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে ।

শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২০

বিহার বিধানসভা নির্বাচনের কাউন্টডাউন শুরু ।

বিহার বিধানসভা নির্বাচনের কাউন্টডাউন শুরু ।  একটা সময় বিহার নির্বাচন মানেই ছিল আতঙ্কের নির্বাচন , খুন ,জখম ,সন্ত্রাস, ছাপ্পা  রিগিং এর প্রহর গোনা। বর্তমানে সেই পরিস্থিতির অনেকটাই পরিবর্তন হয়েছে নীতীশ কুমারের হাত ধরে এমনকি বিহারের সামাজিক অবক্ষয় দূর করতে মদ্যপান কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেছেন তবে অনেকদিন ক্ষমতায় থাকার ফলে একটা প্রতিষ্ঠানবিরোধী মনোভাব দেখা যায় । তবে অধিকাংশ সমীক্ষাতেই উঠে আসছে লড়াই একটু হাড্ডাহাড্ডি হলেও নীতিশ কুমার পুনরায় ক্ষমতায় আসতে চলেছেন। প্রধান প্রতিপক্ষ লালুপ্রসাদের দল প্রবলভাবে দুর্নীতিতে বিদ্ধ অপরদিকে নীতীশ কুমার সুশাসক। বর্তমানে লালুপুত্র তেজস্বী যাদব বিহারে বিরোধী শিবিরে প্রধান মুখ অপরদিকে বিহারে শক্তিশালী বিজেপি নীতীশ কুমারের জোট সঙ্গী তবে সাম্প্রতিক কেন্দ্র সরকারের বেসরকারিকরণ, যুব সমাজের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে দিশাহীনতা, মূল্যবৃদ্ধিতে রাশ টানতে ব্যর্থতা প্রভৃতি কিছুটা ফ্যাক্টর হলেও হতে পারে যদিও এটা লোকসভা নির্বাচন নয় একটা রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। তবে যে কোনো নির্বাচনে পঞ্চায়েত থেকে পার্লামেন্ট সবকিছুরই একটা মিশ্র প্রভাব পড়ে থাকে সেইসঙ্গে বিহার নির্বাচনের আরেকটা তাৎপর্য হল করোনা আবহে এই প্রথম দেশে বৃহৎ নির্বাচন সম্পন্ন হতে চলেছে । মহামারী প্রতিরোধ করে সুষ্ঠ ভোট সম্পন্ন করা নির্বাচন কমিশনের কাছে একটা বিরাট চ্যালেঞ্জ সেইসঙ্গে করোনা প্রতিরোধে সরকারের ভূমিকাও একটা প্রভাব পড়তে চলেছে । বছর ঘুরলেই বিহারের প্রতিবেশী রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন । সেক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের আগে বিহারের ফলাফল প্রমাণ করবে দেশে এন ডি এর বর্তমান জনপ্রিয়তা । পশ্চিমবঙ্গে লড়াই হতে চলেছে বিজেপির সাথে তৃণমূলের । বিহারে এনডিএ ভালো ফল করলে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি কিছুটা অক্সিজেন পাবে এবং পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু আসন বিহারের সীমান্ত লাগোয়া । অপরদিকে বিহারে বিজেপির ফলাফল খারাপ হলে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের আগে বঙ্গের গেরুয়া শিবির কিছুটা ধাক্কা খাবে । ঝাড়খন্ডে বিজেপির সরকার থাকাকালীন পুরুলিয়া, বর্ধমান প্রভৃতি জেলায় বিজেপি কিছুটা সুবিধা লাভ করত । বিহার বিধানসভা নির্বাচনে বিরোধী শিবিরের রয়েছে আরেক তরতাজা মুখ কানহাইয়া কুমার যদিও লোকসভা নির্বাচনে বিহারের বেগুসরাই আসনে কানহাইয়া কুমারের ভরাডুবি হয়েছিল ।

রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২০

লকডাউন চলার কারণে কিছু ডাক্তারের ভিজিট বৃদ্ধি ।

লকডাউন চলার কারণে ডাক্তারের ভিজিট বৃদ্ধি । অদ্ভুত যুক্তি ! কিছু ডাক্তার লকডাউনের কারণে ভিজিট বাড়িয়ে দিয়েছেন হয়তো সকলে নয় অনেক মানবিক ডাক্তার লকডাউনের বাজারে ভিজিট বৃদ্ধি করেননি । যেসমস্ত চিকিৎসক লকডাউনের কারণে ভিজিট বৃদ্ধি করেছেন তাঁদের যুক্তি নিয়মিত স্যানিটাইজেশান করতে হয় চেম্বার তাই চেম্বারে রক্ষণাবেক্ষণের খরচ বেড়েছে কিন্তু চিকিৎসকের চেম্বারে স্যানিটাইজেশান করার জন্য প্রত্যহ কত খরচ পড়তে পারে ? একজন চিকিৎসকের গড়ে প্রতিদিন যদি ৫০ জন রোগী আসে রোগী পিছু ৫০ টাকা ভিজিট বাড়িয়ে দিলে চিকিৎসক কত লাভ করছেন ? সারাদিনে স্যানিটাইজেশনের জন্য একজন চিকিৎসকের চেম্বারে বাড়তি বড়জোর ১০০ টাকা খরচ হতে পারে কিন্তু তিনি গড়ে প্রত্যহ ৫০ জন রোগীর কাছ থেকে প্রায় ৫০ টাকা অতিরিক্ত ভিজিট নিচ্ছেন । মহামারী কমে গেলেও এই ভিজিট আর কোনদিন হ্রাস হবেনা । তাঁরাতো লকডাউনের বাজারে মানুষের যেখানে আয় নেই একটু মানবিকতা দেখাতে পারতেন । সব চিকিৎসক হয়তো নয় । এটা ঠিক তাঁরা এই মহামারীর সময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসা করছেন কিন্তু চিকিৎসককে তো ঝুঁকি নিয়েই চিকিৎসা করতে হয় সেটা জেনেই তিনি এই পেশায় এসেছেন , যেমন সৈনিক সব জেনেই সীমান্তে যান ,একজন বিদ্যুৎকর্মী সব জেনেই বৈদ্যুতিক খুঁটির উপরে ওঠেন ,দমকলকর্মী সব জেনেই আগুন নেভাতে ঝাঁপিয়ে পড়েন । তবে, আর যাই হোক লকডাউন এর কারণে ভিজিট বৃদ্ধি যুক্তিসম্মত কারণ নয় । বহু চিকিৎসক রয়েছেন যাঁরা এই দুর্দিনেও সরকারি হাসপাতালে চূড়ান্ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে করোনা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা করে চলেছেন ।

শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২০

নারীর নিরাপত্তা ,কর্মসংস্থান ,আইন শৃঙ্খলা প্রতিমুহূর্তে অভাব বোধ করছি নেতাজির ।

স্বাধীনতার পর থেকে প্রতিমুহূর্তে আমরা যার অভাব বোধ করেছি তিনি হলেন নেতাজি । নেতা না থাকলে নারীর সুরক্ষা ,খাদ্যের যোগান, কর্মসংস্থান ,আইন শৃঙ্খলা, প্রতিরক্ষা ,স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে উঠবে কি করে ? আজাদ হিন্দ বাহিনী যখন লড়াই করছিল তখন কঠোর নির্দেশ ছিল আজাদ  হিন্দ বাহিনী বা জাপানি সেনা কোন নারীর উপর অত্যাচার করলে শাস্তি গুলি করে হত্যা। নেতাজিকে গায়েব করে দেওয়ার সাথে সাথে গায়েব হয়ে গিয়েছিল এদেশের, এদেশের মানুষের ভবিষ্যৎ । নেতাজির নেতৃত্বে অবিভক্ত ভারত গড়ে উঠলে তাহলে ভারত এক সুপার পাওয়ার রাষ্ট্র হয়ে উঠতো । তাই ভারত এবং নেতাজি উভয়েই যথেষ্ট মাথাব্যথার কারণ ছিল সেই সময় মিত্র শক্তির কাছে । প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ভারতকে সামিল করা হয় এবং ভারতীয় সেনাকে যুদ্ধে লাগানো হয়েছিল তখনই ব্রিটিশ সরকার দেখেছিল ভারতীয় সেনার ক্ষিপ্রতা । তাহলে ,এই তিনটি যদি ঐক্যবদ্ধ হয়ে যায় বিশ্বজুড়ে মিত্রশক্তির দাদাগিরি বন্ধ হয়ে যাবে । উপনিবেশ , সাম্রাজ্যবাদ ধুলোয় মিশে যাবে । নেতাজি শুধু ভারতেরই নেতা ছিলেননা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মানুষেরাও তাঁকে নেতা মনে করত । আসলে নেতাজি ছিলেন দেশপ্রেমিক , মানবতাবাদি , রাজনীতিক ন‌য় । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মিত্রশক্তির অবস্থা যখন খুবই খারাপ জাপান চেয়েছিল কলকাতায় বোমাবর্ষণ করতে তাহলে ব্রিটিশ বেকায়দায় পড়বে কারণ কলকাতা বরাবরই ব্রিটিশের হার্ট বা নার্ভ ছিল । বাধা দিলেন নেতাজি কারণ কলকাতায় বোমাবর্ষণ হলে বহু বেসামরিক ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হবে এতটাই মানবিকতাবোধ ছিল তাঁর । যে সাধারণ মানুষ তাঁকে নেতাজি বানিয়েছে যুদ্ধে কোন ভাবে সেই সাধারণ মানুষের ক্ষতি করা যাবেনা । নেতাজি যদি আজ আমাদের দেশের নেতা হতেন কোন মেয়েকে ধর্ষিতা হতে হতনা , গার্হস্থ্য হিংসার শিকার হতে হতনা , পুড়ে মরতে হতনা , রাস্তাঘাটে লাঞ্ছিত হতে হতনা । নেতাজি নিজে ছিলেন ব্রহ্মচারী তিনি নারীদেহ স্পর্শ করতেননা । আইএনএর সর্বাধিনায়ক থাকার সময় তিনি একবার অসুস্থ হয়েছিলেন। চিকিৎসক পরামর্শ দিয়েছিলেন প্রতিদিন একটি করে ডিম খেতে , তিনি বলেছিলেন যেদিন তিনি আইএনএর প্রতিটি সদস্যকে একটি করে ডিম তুলে দিতে পারবেন সেদিন তিনি ডিম খাবেন । সারাবিশ্বের মধ্যে নেতাজি এক  বিরল দেশপ্রেমিক । নেতাজি থাকলে চীন এশিয়া বা বিশ্বে এরকম সুপার পাওয়ার হয়ে উঠতে পারতনা । ভারতবর্ষকে লাইফটাইম সীমান্ত সন্ত্রাস বা সমস্যার মুখোমুখি হতে হতনা । নেতাজি থাকলে হতনা স্বাস্থ্য ও শিক্ষার বেসরকারিকরণ । দেশের সমস্ত মানুষ পেত রাষ্ট্রীয় খরচে অবৈতনিক শিক্ষা ও সরকারি চিকিৎসা । দেশে প্রতিষ্ঠিত হত আইনের শাসন , আইনের চোখে সকলেই সমান হত এবং গড়ে উঠত নিরপেক্ষ প্রশাসন । গড়ে উঠত শোষনহীন ও বৈষম্যহীন সমাজ । আজ একটি মেয়ে বাড়ির বাইরে বেরোনোর পর থেকে তার বাড়ির লোকের টেনশান যতক্ষণ না মেয়েটির বাড়ি ফিরছে । টেনশান এই কারণে সমাজ বা প্রশাসন মেয়েটির নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে পারেনি । সন্তান লেখাপড়া শিখছে কিন্তু বাবা-মার দুশ্চিন্তা সন্তান প্রতিষ্ঠিত হতে পারবেতো ? কেন দুশ্চিন্তা কারন রাষ্ট্র যুব সমাজের কর্মসংস্থান সুনিশ্চিত করেনি । শরীরে কোন রোগ দেখা দিলে আতঙ্ক চিকিৎসা করাতে পারবোতো সর্বস্বান্ত হয়ে যাবোনাতো কেন আতঙ্ক কারণ রাষ্ট্র নাগরিকের চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়নি উল্টে চিকিৎসার অবাধ বেসরকারিকরণ করে রোগী ও রোগীর পরিবারকে লুঠ করার সুযোগ করে দিয়েছে । আসলে অভাব একজনের নেতাজির । আজও বহু মানুষ পথ চেয়ে বসে আছে নেতাজি আসবে নেতার বেশে দূর হবে সমস্ত অন্যায় অবিচার ।

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০

কৃষি আইনের প্রতিবাদে ট্রাক্টর পোড়ানো এটা কৃষকদের অপমান ।

কৃষি আইনের প্রতিবাদে দিল্লিতে কংগ্রেসের ট্রাক্টর পোড়ানো এটা কৃষকদের অপমান । একজন প্রকৃত কৃষক ট্রাক্টর কেনে নিজের শরীরের রক্ত জল করে । যে ট্রাক্টর পোড়ায় সে আর যাই হোক কৃষক হতে পারেনা , রাজনীতিক হতে পারে। নতুন কৃষি আইন ঠিক কি ভুল এটা বোঝার জন্য কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে । কারণ এমন নয় যে স্বাধীনতার পর সত্তর বৎসর কৃষকদের অবস্থা খুব ভাল ছিল । প্রতিবছরই কৃষকের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটতো আর ফসল ফলিয়ে ন্যায্য দাম না পাওয়া এটা নিত্যদিনের ঘটনা তাই কৃষকদের অবস্থা এতদিন খুবই করুন ছিল । আগামী দিনে নতুন আইনে তাদের অবস্থা ভালো হবে না আরো খারাপ হবে সেটা সময় বলবে তবে পেট্রোলের দাম বাড়লে কেউ বাইক জ্বালিয়ে দেয়না ,গ্যাসের দাম বাড়লে ওভেন জ্বালিয়ে দেয়না ,বিদ্যুতের দাম বাড়লে ফ্যান পুড়িয়ে দেয়না তাই ট্রাক্টর পুড়িয়ে দেওয়া  নেহাতই বালখিল্য রাজনীতি ।

আজ শহীদ ভগৎ সিং এর জন্মদিন ।

আজ শহীদ ভগৎ সিং এর জন্মদিন। তিনি হিন্দুস্থান সোশালিস্ট রিপাবলিকান অ্যাসোসিয়েশন বা HSRA এর সদস্য ছিলেন । এই সংগঠনের অন্যতম সদস্য ছিলেন চন্দ্রশেখর আজাদ ,রামপ্রসাদ বিসমিল, বটুকেশ্বর দত্ত প্রমূখ । তাঁরা স্বাধীন এবং সমাজতান্ত্রিক ভারত গঠনের স্বপ্ন দেখতেন কারণ তাঁরা মনে করতেন সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা না হলে স্বাধীনতা অর্থহীন ।এই কারণে তাঁরা তাদের সংগঠনের নামের সঙ্গে সোশালিস্ট শব্দটি যোগ করেছিলেন ।কাকোরি ট্রেন ডাকাতিতে যুক্ত ছিল এই সংগঠন ।লাহোরে কেন্দ্রীয় আইনসভায় বোমা ফাটিয়ে বিপ্লবী ইশতেহার ছড়িয়ে দিয়েছিল ভগৎ সিং ও বটুকেশ্বর দত্ত। তাঁরা মনে করতেন অচেতন ব্রিটিশ সরকারের কান পর্যন্ত কোন বার্তা পৌঁছে দিতে গেলে ব্যতিক্রমী কিছু করতে হবে ।এই কারণে তাঁরা লাহোরে কেন্দ্রীয় আইন সভায় দুটি বোমা ফাটান কিন্তু তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল কাউকে হতাহত না করা শুধুমাত্র দৃষ্টি আকর্ষণ করে বার্তা পৌঁছে দেওয়া এই কারণে যেখানে মানুষ ছিলনা সেখানে দুটি বোমা ফাটিয়ে বিপ্লবী ইশতেহার ছড়িয়ে দেন । জেলে ভারতীয় বন্দীদের ব্রিটিশ বন্দীদের সমান অধিকার দেওয়ার জন্য ভগৎ সিং, যতীন দাস অনশন শুরু করেন । দীর্ঘ দিন অনশন করে যতীন দাস প্রাণত্যাগ করেন । সাইমন কমিশন বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে পুলিশের লাঠির আঘাতে প্রাণ হারান লালা লাজপত রায়। এই হত্যাকাণ্ডের সাথে যুক্ত স্যান্ডার্সকে হত্যা করেন ভগৎ সিং । ভগৎ সিং ,শুকদেব , রাজগুরুর ফাঁসি হয়েছিল । জেলে যে কুঠরিতে ভগৎ সিংকে রাখা হয়েছিল সেটা কোন মানুষের থাকার অযোগ্য। স্বাধীনতা এমনি এমনি আসেনি । অনেক আত্মত্যাগের মধ্যে দিয়ে এসেছিল ।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২০

ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে হামলার আজ ১৯ বছর পূর্তি ।

আজ সেই বিখ্যাত দিনটি যেদিন আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতা ,দম্ভ ও গর্বকে ধুলিস্যাৎ করে দিয়েছিল ওসামা বিন লাদেনের আল কায়দা ।১১ সেপ্টেম্বরের হামলা যা নাইন/ইলেভেন  নামেও পরিচিত , ২০০১ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সকালে যুক্তরাষ্ট্রের উপর আল-কায়েদার একইসাথে চারটি সমন্বিত সন্ত্রাসী হামলা। আক্রমনে ২,৯৯৭ জন নিহত এবং ৬,০০০ এর অধিক মানুষ আহত হয়, এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অধিক অবকাঠামো ও সম্পদ।
১১ ই সেপ্টেম্বরের হামলা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসবাদ এর অংশ ।
উপরের সারি: ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার এর দ্যা টুইন টাওয়ার জ্বলছে ।২য় সারি, বাম হতে ডান: পেন্টাগনের ধ্বসে পড়া অংশ । ফ্লাইট ১৭৫ ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের দক্ষিণ টাওয়ারে আঘাত হানে ।৩য় সারি, বাম হতে ডান: ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের ধ্বংসস্তুপের মাঝে একজন অগ্নিনির্বাপণ কর্মী সহায়তার অনুরোধ জানাচ্ছেন , গ্রাউন্ড জিরো থেকে ফ্লাইট ৯৩ একটি ইঞ্জিন উদ্ধারকৃত হয়। নিচের সারি:ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার বিরতিহীন তিনটি ফ্রেমে ধারণকৃত এ ৭৭ এর পেন্টাগনের উপর আঘাত হানার দৃশ্য ।
ওসামা বিন লাদেন এই হামলার নেপথ্যে ছিলেন বলে ধারণা করা হয় এবং শুরুতে তিনি তার জড়িত থাকার ব্যাপারে অস্বীকৃতি জানালেও পরে তিনি তার মিথ্যা বক্তব্যকে অমূলক বলে উল্লেখ করেন। আল জাজিরা ২০০১ সালের ১৬ই সেপ্টেম্বর এক প্রতিবেদনে বিন লাদেনের এক বক্তব্য প্রচার করে, যেখানে তিনি বলেন, "আমি জোর দিয়ে বলছি যে আমি এই কাজ করিনি, মনে হয় কেউ তার ব্যক্তিগত উদ্দেশ্য হাসিল করার লক্ষ্যে এই হামলা চালিয়েছেন।" ২০০১ সালের নভেম্বর মাসে মার্কিন সেনাবাহিনী আফগানিস্তানের জালালাবাদ থেকে একটি ভিডিও টেপ উদ্ধার করেন। ভিডিওতে দেখা যায় বিন লাদেন খালেদ আল-হারবির সাথে কথা বলছেন এবং এই হামলার সম্পর্কে তার জানার বিষয়টি স্বীকার করছেন। ২০০১ সালের ২৭শে ডিসেম্বর বিন লাদেনের আরেকটি ভিডিও প্রকাশিত হয়। এই ভিডিওতে তিনি বলেন:
এটি স্পষ্ট যে ইসলামের বিরুদ্ধে পশ্চিমা বিশ্ব এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঘৃণা রয়েছে... এটি ক্রুসেডারদের ঘৃণা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রশংসিত হওয়ার যোগ্য কারণ এটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক ধরনের প্রতিক্রিয়া, যার উদ্দেশ্য হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ইসরায়েলের প্রতি সমর্থন বন্ধ করা, যারা আমাদের লোকজনদের হত্যা করছে... আমরা বলি যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমাপ্তি আসন্ন, বিন লাদেন বা তার অনুসারীরা জীবিত থাকুক বা মৃত, মুসলিম উম্মাহ জেগে ওঠেছে।
২০০৩ সালে ধৃত হওয়ার পর খালিদ শেখ মোহাম্মদ আল জাজিরার সাংবাদিক ইয়োসরি ফুদা প্রতিবেদন প্রকাশ করেন যে ২০০২ সালের এপ্রিল মাসে খালিদ শেখ মোহাম্মদ এই হামলায় তার দায় স্বীকার করেন এবং জানান তার সাথে ছিলেন রামজি বিন আল-শিভ।  নয়/এগারো কমিশন রিপোর্টের প্রতিবেদনে বলা হয় যে ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার প্রধান মোহাম্মদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি বৈরিতার কারণ হল ইসরায়েলের প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতির বিরুদ্ধে তার সহিংস অসম্মতি। মোহাম্মদ ১৯৯৩ সালের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে বোমা হামলার উপদেশদাতা ও বিনিয়োগকারী ছিলেন এবং তিনি এই হামলার প্রধান বোমা হামলাকারী রামজি ইউসুফের মামা।
"খালিদ শেখ মোহাম্মদের সাবস্টিটিউশন ফর টেস্টিমনি"তে বলা হয়ে পাঁচজন ব্যক্তি এই হামলার বিস্তারিত সম্পর্কে জানতেন। তারা ছিলেন বিন লাদেন, খালিদ শেখ মোহাম্মদ, রামজি বিন আল-শিভ, আবু তুরাব আল-উরদুনি, ও মোহাম্মদ আতেফ।
ওসামা বিন লাদেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে একটি পবিত্র যুদ্ধের ঘোষণা দেন এবং মার্কিনীদের হত্যার জন্য বিন লাদেন ও অন্যান্যদের ১৯৯৮ সালে একটি ফতোয়া স্বাক্ষরকে তদন্ত কর্মকর্তারা তার উদ্দেশ্য হিসেবে উল্লেখ করে থাকে। ২০০২ সালের নভেম্বরে বিন লাদেনের "লেটার টু আমেরিকা"-তে তিনি তাদের হামলা সম্পর্কিত আল-কায়েদাদের উদ্দেশ্য ব্যাখা করেন, তন্মধ্যে রয়েছে:

ইসরায়েলের প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন

সোমালিয়ায় মুসলমানদের বিরুদ্ধে হামলায় সমর্থন

মরো সংঘর্ষে মুসলমানদের বিরুদ্ধে ফিলিপাইনকে সমর্থন

লেবাননে মুসলমানদের বিরুদ্ধে আগ্রাসনে ইসরায়েলকে সমর্থন

চেচনিয়ায় মুসলমানদের বিরুদ্ধে একনায়কতন্ত্রে রুশদের সমর্থন

মুসলমানদের বিরুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যে প্রো-মার্কিন সরকার

কাশ্মীরে ভারতকে মুসলমানদের শোষণের বিরুদ্ধে সমর্থন

সৌদি আরবের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর উপস্থিতি
এই সন্ত্রাসবাদি হামলার পর আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ওসামা বিন লাদেনকে আশ্রয় দেওয়া আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। তালিবানি সরকারের পরাজয় হয় ।পরবর্তীকালে একদিন জানা যায় আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ওসামা বিন লাদেনের মৃত্যু হয়েছে । সন্ত্রাস দমনে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে সমর্থন জানিয়েছিল ভারত তবে ভারতের দাবি ছিল গোটা বিশ্ব থেকে সন্ত্রাসবাদকে নির্মূল করা হোক কিন্তু আমেরিকা কথা রাখেনি তালিবান সরকারের পতন হওয়ার পর আমেরিকা হাত গুটিয়ে নেয় । ভারতে সন্ত্রাসবাদ বা কাশ্মীর সন্ত্রাসের কোন সমাধান তারা করেনি । এটা নিয়ে বিরোধীরা সমালোচনা করেছিল আগ বাড়িয়ে সমর্থন জানিয়ে ভারত কি পেল তবে সেসময় ভারত যদিনা সমর্থন জানাত তাহলে ভবিষ্যতে ভারত আর কোনদিন সন্ত্রাসবাদ নির্মূল এর জন্য দাবি জানাতে বা সুর চড়াতে পারতনা ।
তথ্য সহায়তায় - উইকিপিডিয়া ।

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০

একটা আবাসনে শুধুমাত্র একটা ফ্ল্যাট অবৈধ নির্মাণ , হতে পারে কি ?

মুম্বাইতে কঙ্গনা রানাওয়াতের ফ্ল্যাট নাকি অবৈধ নির্মাণ ! তাঁর অফিস , ফ্ল্যাট সবকিছুই নাকি অবৈধ নির্মাণ এই দিন কয়েকের মধ্যে জানা যাচ্ছে । কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে একটা আবাসনে অনেকগুলো ফ্ল্যাট থাকে তাহলে তাঁর ফ্ল্যাট যদি অবৈধ নির্মাণ হয় তাহলে পুরো আবাসনটাই অবৈধ নির্মাণ । একটা আবাসনে যদি ষোলটা বা তার কম বেশি ফ্ল্যাট থাকে সেখানে পুরো আবাসনটার নির্মাণ বৈধ এবং একটা ফ্ল্যাটের নির্মাণ অবৈধ সেটা কি করে হয় ? এতদিন মুম্বাই পুরসভা কি করছিল ? মুম্বাই পুরসভা ও মহারাষ্ট্র সরকার যদি কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে যে মুম্বাইয়ের সমস্ত অবৈধ নির্মাণ ভাঙ্গা হবে তাহলে এটা একটা 'নিরবচ্ছিন্ন প্রক্রিয়া' হবে একজনের ঘর ভেঙে সেটা বন্ধ হয়ে যাবেনা সাধারণভাবে সেটাই বোঝায় । কঙ্গনার ফ্ল্যাট যদি অবৈধ হয় তাহলে ঐ আবাসনের মালিক বা তার নির্মাণকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছেনা কেন ? কোন আবাসন বা যেকোনো নির্মাণ করার আগে স্থানীয় পুরসভার  কাছে প্ল্যান পাস করাতে হয় এবং নির্মাণ হয়ে যাওয়ার পর সম্পূর্ণ হ‌ওয়ার কাগজ জমা দিতে হয় যদি কাগজপত্রে কোন গরমিল থাকে মুম্বাই পুরসভা আবাসন মালিক বা প্রোমোটারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি কেন ? ফ্যাট ক্রয় বা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে কোন অনিয়ম হয়েছে কি তাহলে তো ক্রেতা এবং বিক্রেতা উভয়েই দোষী । মুম্বাই পৌরসভা তাহলে শহরের সমস্ত অবৈধ নির্মাণ ভেঙে দিক এবং সমস্ত আবাসনের ক্রয়-বিক্রয় নিয়ম মেনে হয়েছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখুক ।

বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০

কঙ্গনা রানাওয়াতের মুম্বাইয়ের অফিস ভাঙার জন্য গেল বৃহৎ মুম্বাই পুরসভা ।

কঙ্গনা রানাওয়াতের মুম্বাইয়ের অফিস ভাঙার জন্য গেল বৃহৎ মুম্বাই পুরসভা। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তার যে অফিসটি যেটা আসলে একটা ফিল্ম সিটি নাম মণিকর্ণিকা যেখান থেকে তার প্রথম সিনেমা অযোধ্যা প্রকাশ হয়েছিল সেই বিল্ডিং এর যে অংশটি বেআইনি সেটা ভাঙ্গার জন্য গিয়েছে মুম্বাই পুরসভার বাহিনী । এদিকে কঙ্গনা আজ মুম্বাইতে পা রাখছেন । কেন্দ্র সরকার তাঁকে ওয়াই ক্যাটাগরি নিরাপত্তা দিয়েছি । সম্প্রতি শিবসেনার সাথে তার বাকযুদ্ধ শুরু হয় তারপরেই পরিস্থিতি ঘোরালো হতে থাকে । তিনি এই সংক্রান্ত একটি টুইট করেছেন । তিনি আরো জানান বেআইনি অংশটি নিয়ে মুম্বাই পুরসভা একটি নোটিশ ধরেছিল তবে ভাঙ্গার কথা কিছু জানায়নি ।

মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২০

কেরলে নিহত হলেন দুজন বাম কর্মী , অভিযোগের তীর কংগ্রেসের দিকে ।

কেরালায়  খুন হলেন কমরেড হক মহম্মদ এবং কমরেড মিথিলাজ । অভিযোগের তীর কংগ্রেস আশ্রিত দুষ্কৃতীদের দিকে । ধিক্কার জানালো কেরালা কংগ্রেসকে । উল্লেখ্য, কেরালায় এখন বামেদের সরকার, মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন ।কংগ্রেস বিরোধী দলে অবস্থান করছে। সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে বা পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে বাম কংগ্রেস জোট থাকলেও কেরলে তারা একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী ।

রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২০

নেতাজীর জীবনে আগস্টের ১৫, ১৮ ও ২৩ এই তিনটি দিন খুব গুরুত্বপূর্ণ ।

ভারত নিউজ – ১৫ ই আগস্ট ,ভারত স্বাধীন হয়, ১৮ ই আগস্ট ১৯৪৫ সালে ঘটেছিল তাইহোকু বিমান দুর্ঘটনা । যেই বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মৃত্যু হয় । অন্তত অফিসিয়ালি এই তত্বটাই স্বীকৃত দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল কিন্তু জনমতের চাপে সম্ভব হয়নি । এর প্রায় দু বছর বাদে ভারত দ্বিখণ্ডিত হয়ে স্বাধীনতা লাভ করে ।যদিও নেতাজির আইএনএর বহু সদস্য ওই বিমান দুর্ঘটনার তত্ত্বকে মানতে নারাজ ।

সরকারিভাবে স্বীকৃত বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজির শরীরের অনেকটা অংশ পুড়ে গিয়েছিল । তাইহোকু সামরিক হাসপাতালে ১৮ই আগস্ট সন্ধ্যার দিকে নেতাজির মৃত্যু হয় । তাইহোকু জাপানের একটি বিমানবন্দর ।একটি জাপানি বিমান যার অনেক যাত্রীর মধ্যে একজন যাত্রী নেতাজি ছিলেন তাইহোকুতে জ্বালানি ভরার জন্য অবতরণ করে কিন্তু পুনরায় আকাশে ওড়ার সময় দুর্ঘটনা ঘটে । দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে বলা হয়েছিল অতিরিক্ত ওজনের কারণে বিমানটি ভেঙে পড়ে । সামরিক হাসপাতালে নিয়ে আসার পর নেতাজী বলেছিলেন আমার নয় অন্য যাত্রীদের আগে যাতে চিকিৎসা করা হয় সেটা দেখতে যদিও

হাসপাতাল সমস্ত রকম চেষ্টা চালায় কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁর মৃত্যু হয় । এর দুদিন পরে কুড়িই আগস্ট তাইহোকু শ্মশানে নেতাজির সৎকার পর্ব সম্পন্ন হয় কিন্তু আজও ভারতবাসী এই মৃত্যুকে মনে প্রানে মেনে নিতে পারেনি। মেনে না নেওয়ার পেছনে অনেক যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে কারণ মৃত্যু হলে স্থানীয় প্রশাসন একটি ডেট সার্টিফিকেট ইস্যু করে । নেতাজির ডেথ সার্টিফিকেট আজ পর্যন্ত কেউ দেখেনি। নেতাজির মৃতদেহের কোন‌ও ছবিও নেই। তাইহোকু সামরিক হাসপাতাল থেকে একটি ডেথ সার্টিফিকেট ইস্যু হয়েছিল। যে ব্যক্তির নামে ডেথ সার্টিফিকেট ইস্যু হয়েছিল তার নাম ওকারা ইচিরো ,১৯ শে আগস্ট হার্ট ফেলিওরে তাঁর মৃত্যু হয়েছিল ।

নেতাজির আইএনএ সরকারকে বিশ্বের আটটি দেশ স্বীকৃতি দিয়েছিল । আইএনএ সরকারের রাষ্ট্রনায়ক নেতাজি সেক্ষেত্রে স্বীকৃতি দেওয়া দেশগুলি কোন শোক পালন বা শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছিল কি ? আর যদি সত্যিই মৃত্যু হয়ে থাকে তাহলে কিসের এত গোপনীয়তা ! নেতাজি সংক্রান্ত ফাইল উন্মোচনে কেন এতো রহস্য চাপা দেওয়া হয়েছে । সারাবিশ্বে তো কত বিমান দুর্ঘটনা হয়েছে সব ক্ষেত্রে কি এত গোপনীয়তা বা রহস্য চাপা দেওয়া হয়েছে । তাহলে এই একটিমাত্র বিমান দুর্ঘটনায় কেন এত রাখঢাক । আজ এত বছর হয়ে গেল এখনো সেই রহস্য অধরা থেকে গেল । কারোর মৃত্যু হলে স্থানীয় প্রশাসন একটি ডেথ সার্টিফিকেট দেয় । তাইহোকু পুর কর্তৃপক্ষ সেরকম কোন ডেথ সার্টিফিকেট নেতাজির নামে ইস্যু করেনি । তাইহোকুর কোন স্থানীয় সংবাদপত্রেও বিমান ভেঙে পড়ার খবর সেসময় প্রকাশিত হয়নি। মুখার্জি কমিশন গঠিত হলেও সেই কমিশনের রিপোর্ট আজও জানা যায়নি । জাস্টিস মুখার্জি তাইহোকুতে গিয়েছিলেন রহস্য উন্মোচনের জন্য ।ওখানকার কর্তৃপক্ষ জানায় ১৯৪৫ সালের ১৮ ই আগস্ট কোন‌ও বিমান দুর্ঘটনা হয়নি এমনকি ওখানকার সংবাদপত্রে ১৮ই আগস্ট এর সাম্প্রতিককালে কোন বিমান দুর্ঘটনা খবর প্রকাশিত হয়নি। দীর্ঘ বছরের গোপনীয়তা ও রহস্য থেকে সৃষ্টি হয়েছে বিভিন্ন ধরনের মিথ । একাধিক সাধু , বাবাজি নেতাজি বলে প্রচার করা হয়েছে আসলে রহস্য যত দীর্ঘায়িত হয় তত বেশি করে তত্ত্ব গড়ে ওঠে । এই তত্ত্বের সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি যদি পাওয়া যেত তাহলে তো রহস্যের সমাধান হয়ে যেত ।যেটা বহু বছর ধরে প্রচলিত হয়ে রয়েছে একটি চুক্তিতে নেতাজিকে আন্তর্জাতিক অপরাধী দেখানো হয়েছে অর্থাৎ নেতাজি জনসমক্ষে এলে তাকে যুদ্ধবন্দী অনুযায়ী বিচার করতে হবে কারণ তিনি সশস্ত্র সামরিক বাহিনী গঠন করে ব্রিটিশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন । তবে যে কোন চুক্তির একটি মেয়াদ থাকে এই চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে ফাইল উন্মোচিত হবে নাকি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক রক্ষার খাতিরে চুক্তির মেয়াদ বছরের-পর-বছর বাড়তে থাকবে সেটা ভবিষ্যৎ বলবে । যদি নেতাজি অন্তর্ধান হয়ে থাকে তাহলে তিনি দেশের মধ্যে না দেশের বাইরে রয়েছেন সেটাও একটা রহস্য । আরো একটা জিজ্ঞাস্য তিনি কি আত্মগোপন করে আছেন না বন্দী হয়ে আছেন। তাইহোকু বিমান দুর্ঘটনায় মৃত নেতাজির চিতাভস্ম ও অস্থি সংরক্ষিত রয়েছে জাপানের রেনকোজি মন্দিরে ।রেনকোজি জাপানের একটি বৌদ্ধ মন্দির ।নেতাজি কন্যা অনিতা বসু দীর্ঘ বিতর্ক নিরসনের জন্য চিতা ভষ্ম ভারতে আনার কথা বলেছিলেন যদিও ওই চিতা ভষ্ম আদৌ নেতাজির কিনা সেটা নিয়েও একটা প্রশ্ন রয়েছে । তাছাড়া এত বছর পরে ওই চিতা ভষ্মের ডিএনএ টেস্ট করে কোন‌ও সমাধান করা যাবে কিনা সেটা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে । ওই চিতা ভষ্ম সংরক্ষণের জন্য প্রতিবছর টাকা পাঠানো হয় । রেনকোজি মন্দির একবার সম্পূর্ণ পুড়ে যায় তবে আশ্চর্যজনকভাবে চিতা ভষ্মটি অক্ষত রয়ে যায় । আবার বলা হয় ওই চিতাভস্মটি নেতাজির নয় অন্য এক সৈনিকের । তবে ,নেতাজি বেঁচে থাকবেন চিরকাল ভারতবাসীর হৃদয়ে । গুমনামি বাবাকে নেতাজী বলে দীর্ঘদিন অনেক মহলে দাবি করা হয়ে এসেছে । সম্প্রতি সেই গুমনামি নিয়ে একটি সিনেমা তৈরি হয়েছে ।

আই এন এ তে নেতাজির অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সহযোগী কর্নেল হবিবুর যিনি ভারত স্বাধীন হওয়ার পর পাকিস্তানএ গিয়ে থাকেন তিনি ১৯৪৯ সালের ডিসেম্বর মাসে লাহোর থেকে প্রকাশিত সিভিল এন্ড মিলিটারি গেজেটে বলেছেন নেতাজি সংক্রান্ত তিনি এতদিন যে কথাগুলি বলে এসেছেন সেগুলি সঠিক নয় ।তিনি একজন সৈনিক ।সৈনিককে কম্যান্ডোর কথা শুনতে হয় তাঁকে যেভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তিনি সেভাবেই কাজ করেছেন । ‘সুভাষ ঘরে ফেরে নাই’ গ্রন্থটি থেকে এই কথা জানা যায় । আসলে বিমান দুর্ঘটনার গল্পটি সুভাষ নিজেই ফেঁদেছিলেন দুই মহাশক্তিধর রাষ্ট্র আমেরিকা ও ব্রিটেনকে ধোকা দেওয়ার জন্য ।

তিনি জার্মানি ও জাপানের সাহায্য চেয়েছিলেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে এই দুই শক্তির পরাজয় হয় সুভাষ তখন অন্য কোন শক্তির সাহায্যের চেষ্টা করেন যে শক্তি ব্রিটেন বিরোধী কিন্তু তার জন্য একটা কৌশল অবলম্বন করা দরকার ছিল ।এই কৌশলে জাপান তাঁকে সাহায্য করেছিল। তিনি বলেছিলেন গন্তব্যে যেটা সম্ভাব্য রাশিয়া পৌঁছনোর পর তাঁর মৃত্যু সংবাদ যেন ঘোষণা করা হয় ।সুপরিকল্পিত কৌশল করা হয়েছিল অত্যন্ত দক্ষতার সাথে । এই গল্পটা তৈরি করার জন্য নেতাজির সহযোগী কর্নেল হবিবুর রহমানের শরীরের সামান্য অংশ পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল কিন্তু পরবর্তীকালে এই কৌশলটাকে কিছু ব্যাক্তি ভাঙা রেকর্ডের মতো বাজিয়ে যায় । মুখার্জি কমিশন এর সাথে তাইহোকুতে গিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের এডভোকেট কেশব ভট্টাচার্য ।তিনি বলেন তাইহোকু শ্মশানে আমরা প্রতিটি রেকর্ড খুঁজে দেখেছি কোথাও নেতাজির নাম নেই। তাইহোকু সরকার জানিয়েছে ওই দিন কোন বিমান দুর্ঘটনা হয়নি ।
কেশব ভট্টাচার্যর একটি সামাজিক মাধ্যমে করা পোস্ট থেকে জানা যায় , নেহেরুর গোপন টেন পয়েন্ট ও eight point মেমোরেন্ডাম, সেই মেমোরেন্ডাম এর গোপন নোট থেকে জানা যাচ্ছে; ভারতবাসীর নাগরিকত্বের সাথে গোপনে নেহেরু যেখানে কম্প্রোমাইজ করছে সেখানে এই full Rights But No Allegiance কথাটি আসে কী করে ? Automatic আনুগত্য প্রকাশ হয় কী হয় না এর জবাব পাওয়া যায় 1949 সালে ব্রিটিশ ক্যাবিনেটে গৃহীত ভারতের Consequential Provision এর ড্রাফ্ট বিলের উল্লেখ করা সেকসান – 1(1) থেকে ; যেখানে Provision as to Nationality সমন্ধে বলা হচ্ছে : [ ” A person shall not be British subject by reason only that he is a citizen of India , but the expression “Commonwealth citizen” shall continue to include citizen of India whether they are or are not British subject.] অর্থাত, ভারত রিপাবলিক করার পরে ভারতের নাগরিকদের মর্যাদা টা এই রকম হবে – আমরা ব্রিটিশ প্রজা হই বা না হই তবুও “কমনওয়েলথ সিটিজেনের ” expression টা লাগাতর বহন করে চলবো / চলেছি ; এর পরেও India Within Empire এর ভিতর Republic করা সত্বেও Allegiance ( আনুগত্য ) প্রকাশ করতে হয় না বা হলো না সেটা কী মেনে নেওয়া সম্ভব ? যেখানে আমারা “C’wealth Citizen”এর মানেটা লাগাতর বহন করে চলেছি ?? এবং এই কমনওয়েলথ সিটিজেনের মানে টা বা expression টা কী সেটা ব্রিটিশ ন্যাশনালটি অ্যাক্ট-১৯৪৮ এ পরিস্কার ভাবে বলা রয়েছে এই ভাবে – “ব্রিটিশ প্রজার” substitute হল “কমনওয়েলথ সিটিজেন”
সুতরাং, যদি ব্রিটিশ প্রজারা রানীর প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে সেখানে যারা কমনওয়েলথ সিটিজেন তাদের আনুগত্য কী অদৃশ্য ভাবে automatic প্রকাশ পায় না ? ? যেখানে কমনওযেলথের প্রত্যেকটি দেশ common bond of unity ব্রিটিশ নাগরিকত্ব আইনের প্রোভিশানের মাধ্যমে রক্ষা করে চলেছে ! ? যদিও each country can alter its nationality legislation independently of the others without breaking the common bonds of British Nationality . [ The Advocate Page:10, 15 Sep’1949]
এই সত্য ভারত সরকারের দলীলেও প্রকাশ পেয়েছে এই ভাবে – Under Section 1(1) of the British Nationality Act of 1948, a citizen of India is also a British Subject for the purpose of British Law. This position has remained unchanged even after India became a republic .” ভারত রিপাবলিক করার পরেও ভারতবাসীর এই status পরিবর্তন হয়নি 1949 সালের Consequential Provision Act এর কারনে যার মূল উদ্দেশ্য ছিল ভারতবাসী যাতে রিপাবলিক করার পর আগের মত ব্রিটিশ প্রজার সমতুল্য হতে পারে ।

এডভোকেট কেশব ভট্টাচার্য এবছর স্বাধীনতা দিবসের দিন ফেসবুক লাইভে আসেন । নেতাজি অনুরাগীরা একটি ফেসবুক পেজ তৈরি করেছেন । তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন ১৯৪৭ সালের ১৫ ই আগস্ট ক্ষমতা হস্তান্তর হয়েছিল ।এরপরেও কিছুদিন ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন তারপর আসেন চক্রবর্তী রাজাগোপালাচারী কিন্তু একটি স্বাধীন দেশে লর্ড মাউন্টব্যাটেন কি করে গভর্নর জেনারেল থাকতে পারেন ।বৃটেনের রানীর ভারতে আসতে কোন ভিসা লাগেনা ,কেন লাগেনা ,একটি স্বাধীন দেশে বিদেশের যেকোনো মানুষের আসতে ভিসা লাগে । এডভোকেট কেশব ভট্টাচার্য আরেকটি তথ্য উল্লেখ করেছেন ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে ভারত স্বাধীন হওয়ার পর নেহেরু একটি চিঠি লিখেছিলেন , ইংল্যান্ডের রাজা ষষ্ঠ জর্জ এর কাছে “মহামহিমান্বিত হুজিরের নিকটে যথাবিহিত সম্মান পোষন অধীনের বিনীত নিবেদন ” , স্বাধীন দেশে থেকে অধীনের বিনীত নিবেদন কেন লিখতে হবে যদি থাকি তাহলে লিখতে হবে । নেতাজি নিয়ে অনেক কল্পকাহিনী গড়ে উঠেছে কিন্তু কেশব ভট্টাচার্য তিনি মুখার্জি কমিশন এর সঙ্গে তাইহোকুতে গিয়েছিলেন এবং তিনি নিজে একজন নেতাজি অনুরাগী তিনি যে সমস্ত তথ্য তুলে ধরেন প্রতিটি তথ্যনিষ্ঠ ও প্রমাণ সহযোগে তুলে ধরেন তাই তাঁর বক্তব্য আমরা গুরুত্ব না দিয়ে থাকতে পারিনা । তবে ভারত স্বাধীন হয়েছে কিন্তু সেই স্বাধীনতার দলিল দেশবাসী আজ পর্যন্ত দেখতে পায়নি। যারা দেশের জন্য প্রাণ দিল ,জেল খাটলো তারা বা তাদের পরিবার তারাও দেখতে পায়নি ।বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে কিন্তু তার দলিল রয়েছে ।

এডভোকেট কেশব ভট্টাচার্যর বক্তব্যগুলি তাঁর নিজস্ব মতামত তবে তিনি অত্যন্ত তথ্য ও প্রমাণ সাপেক্ষে এগুলি তুলে ধরেছেন তাই উল্লেখ করা হল । তিনি এটাও বলেছেন বিভিন্ন গণআন্দোলনে যখন দেশবাসী স্বাধীনতার স্বপ্নে বিভোর ,আন্দোলন তুঙ্গে ঠিক সেই সময় গান্ধীজি আন্দোলন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন । উল্লেখ্য ,কেশববাবু যেটা বিস্তারিত বলেননি, বিস্তারিত হচ্ছে অসহযোগ আন্দোলন যখন তুঙ্গে ১৯২২ সালে গোরক্ষপুরে আন্দোলনকারীরা অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে থানা আক্রমণ করে এরপরেই গান্ধীজী আন্দোলন প্রত্যাহার করেন। এতে দেশবাসী চূড়ান্ত হতাশ হয় ।সুভাষ বলেছিলেন গান্ধীজি দেশের একটি জায়গার মানুষের পাপে সারা দেশবাসীকে শাস্তি দিলেন । আইন অমান্য আন্দোলন যখন তুঙ্গে গান্ধীজী সেই সময় আন্দোলন সাময়িক বন্ধ রেখে গোলটেবিল বৈঠকে যোগ দিতে গেলেন। ফিরলেন খালি হাতে ।পুনরায় আইন অমান্য আন্দোলন শুরু করতে গেলে ব্রিটিশ পুলিশ শুরুতেই আন্দোলনের মেরুদন্ড ভেঙে দিয়েছিল ।তবে সুভাষ এর সাথে গান্ধীজীর একটা মৌলিক পার্থক্য ছিল চিন্তায় ও কর্মে। সুভাষের লক্ষ্য ছিল ভারতের পূর্ণ স্বাধীনতা । অপরদিকে গান্ধীজী প্রথমদিকে ডোমিনিয়ন স্ট্যাটাস এর কথা বলেছেন পরে পূর্ণ স্বাধীনতার কথা বলেছেন । তাছাড়া গান্ধীজী প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যখন ব্রিটিশ বেকায়দায় পড়েছেন তখন ব্রিটিশের সাথে সহযোগিতার কথা বলেছেন ।দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরুতেই ব্রিটেনের মিত্রশক্তি জার্মানির কাছে ধরাশায়ী ছিলো ।সুভাষ অবিলম্বে আন্দোলন শুরুর কথা বলেন। তিনি বলেছিলেন ভাগ্য সর্বদা একটি জাতিকে স্বাধীনতার সুযোগ করে দেয়না, অবিলম্বে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে পূর্ণ স্বাধীনতার লক্ষ্যে আন্দোলনে নামা উচিত। অপরদিকে ,গান্ধীজী তখন বলেন ভারতবর্ষ এখন‌ও পূর্ণ স্বাধীনতা লাভের জন্য প্রস্তুত হয়ে ওঠেনি ,অভ্যন্তরীণ সমস্যায় জর্জরিত ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২০

আনলক - ৪ কারা যেতে পারবে স্কুলে , প্রকাশিত হল গাইডলাইন ।

আনলক চারে স্কুল খোলার ব্যাপারে কিছু নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। ৩০ শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যেকোনো ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকছে তবে কেন্দ্রের সাথে সমস্ত রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বারংবার আলোচনা হয়েছে ।তার প্রেক্ষিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আগামী বিশে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সমস্ত ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। ২১ শে সেপ্টেম্বর থেকে শুধুমাত্র নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীরা তাদের গাইডের জন্য বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কাছে যেতে পারবে তবে গাইডেন্সের অর্থ নিয়মিত ক্লাস না শুধুমাত্র বাড়িতে পড়তে গিয়ে কোথাও আটকে গেলে সাহায্যের জন্য সেটা এখনও স্পষ্ট নয় ।

সেই সঙ্গে আরও একটি শর্ত চাপানো হয়েছে কনটেইনমেন্ট জোনের বাইরে যে সমস্ত স্কুল রয়েছে সেই সমস্ত স্কুলের ছাত্র ছাত্রীরা এই সুযোগ পাবে অর্থাৎ নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর সকল ছাত্র ছাত্রীরা এই নিয়মের আওতায় আসতে পারবেনা । তবে কনটেইনমেন্ট জোন এর বাইরে কোন ছাত্র-ছাত্রী স্কুলে গেলে তার অভিভাবকের সম্মতি প্রয়োজন ।

আনলক – ৪ এ আরো বলা হয়েছে ৭ ই সেপ্টেম্বর থেকে মেট্রো চালু করা হবে। সেইসঙ্গে এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা হল কোন রাজ্য সরকার ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল কেন্দ্র সরকারের অনুমতি ছাড়া স্থানীয়ভাবে কোন শহর বা গ্রাম বা জেলায় লকডাউন করতে পারবেনা ।

শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২০

করোনার আবহে নির্বাচন কমিশন প্রকাশ করল নয়া নির্বাচন বিধি ।

বছরের শেষেই বিহার বিধানসভার নির্বাচন বছর ঘুরলেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন । করোনা মহামারী কবে ইতি টানবে এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছেনা কিন্তু তাহলে কি সমস্ত কাজ বন্ধ থাকবে বিশেষ করে নির্বাচন না হলে নতুন সরকার গঠিত হবেনা সে ক্ষেত্রে বন্ধ থাকবে উন্নয়ন । বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে বেশকিছু বিধি নিয়ে এসেছে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া, প্রচার ,ভোটগ্রহণ ,গণনা প্রতিটি স্তরেই বিধি ও নিয়মে পরিবর্তন করা হয়েছে ।
ভোটগ্রহণের সঙ্গে যুক্ত প্রতিটি ব্যক্তির ফেস মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক । নির্বাচন সংক্রান্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে থার্মাল স্ক্যানিং করতে হবে, স্যানিটাইজার ,সাবান ,জল সরবরাহ রাখতে হবে ,সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে , নির্বাচন সংক্রান্ত গাড়িগুলিতে কোভিড সংক্রান্ত নির্দেশিকা মেনে চলতে হবে । রাজ্য ,জেলা এবং প্রতিটি বিধানসভার ক্ষেত্রে নোডাল স্বাস্থ্য আধিকারিক নিয়োগ করতে হবে। ইভিএম ও ভিভিপ্যাটগুলি সানিটাইজড করতে হবে। যে সমস্ত আধিকারিক ভিভিপ্যাট এবং ইভিএম নিয়ন্ত্রণ করবেন তাদের হ্যান্ডগ্লাভস দিতে হবে। নির্বাচন সংক্রান্ত প্রশিক্ষণগুলি হলঘরে আয়োজন করতে হবে ।প্রশিক্ষণের জন্য অ্যাপ তৈরি করতে হবে যাতে প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত ভিডিও ক্লিপিংস এবং যে কোন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া থাকবে অর্থাৎ প্রশিক্ষণের একটা অংশ অনলাইনে করা হতে পারে ।
নমিনেশান জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে অনলাইনে নমিনেশান ফর্ম পূরণ করা যাবে। মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক বা জেলা নির্বাচনী আধিকারিক এর ওয়েবসাইটে গিয়ে করা যাবে তবে প্রিন্ট কপি রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দিতে হবে। প্রার্থীরা তাদের জামানতের অর্থ অনলাইনে জমা দিতে পারবে তবে কোনো প্রার্থী চাইলে ট্রেজারিতে গিয়েও জমা করতে পারবে । রিটার্নিং অফিসারের কাছে প্রার্থীর সঙ্গে দুজন সঙ্গে যেতে পারবে । নমিনেশানের ক্ষেত্রে দুটির বেশি গাড়ি ব্যবহার করা যাবেনা ।
ভোট কর্মীরা যে জায়গা থেকে মেটেরিয়ালস সংগ্রহ করবে সেটা বড় হলঘর হতে হবে । ডিসি আরসিতে অতিরিক্ত সংখ্যক ভোটকর্মী রাখতে হবে যাতে বুথে কোনো কর্মীর সামান্য উপসর্গ দেখা দিলে তার পরিবর্তে অন্য কর্মীকে নিয়োগ করা যায় ।
পোলিং স্টেশনগুলিতে অবশ্যই স্যানিটাইজেশন করতে হবে । দুজন ভোটারের মধ্যে ছয় ফুট দূরত্ব রাখতে হবে। প্রত্যেক ভোটারের থার্মাল স্ক্যানিং করতে হবে যদি কোনো ভোটারের তাপমাত্রা বেশি থাকে সেই ব্যক্তিকে শেষ বেলায় এসে ভোট দান করতে হবে । বুথের প্রবেশ ও প্রস্থান ক্ষেত্রে স্যানিটাইজার দিতে হবে, প্রত্যেক ভোটারকে মাস্ক পরে আসতে হবে যদি কোনো ভোটার কোয়ারেন্টাইনে থাকে তাকে শেষ বেলায় এসে ভোট দিতে হবে । প্রত্যেক ভোটারকে স্বাক্ষর করা ও ভোটদান করার জন্য হ্যান্ড গ্লাভস দেওয়া হবে । ভোটকেন্দ্রগুলোতে স্বেচ্ছাসেবক, বিএলও এদের রাখতে হবে সহযোগিতা করার জন্য। একটি বুথে হাজারের বেশি ভোটার থাকবেনা ।
যে সমস্ত ব্যক্তিদের পোস্টাল ব্যালট ইস্যু করা হবে তারা হলেন বয়স আশির উর্ধ্বে হলে, শারীরিক দিক থেকে অক্ষম হলে, কোন ভোটার অত্যাবশ্যক পরিষেবার যুক্ত থাকলে, কোন ভোটার কোভিড – ১৯ পজিটিভ হলে বা সন্দেহযুক্ত হলে এবং বাড়িতে বা কোথাও কোয়ারেন্টাইনে থাকলে ।
নির্বাচনী প্রচারে যে নিয়মগুলি মানতে হবে বাড়ি বাড়ি প্রচারে প্রার্থীসহ সর্বাধিক পাঁচ জন যেতে পারবে, রোড শো করা যাবে তবে সর্বাধিক পাঁচটি গাড়ি ব্যবহার করা যেতে পারে যদি নিরাপত্তার ব্যাপার থাকে তাহলে সর্বমোট দশটি গাড়ি ব্যবহার করা যেতে পারে ।জনসভা বা রেলি করা যাবে তবে তার জন্য কঠোর নিয়ম কানুন মানতে হবে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক বিষয়টি তত্ত্বাবধান করবেন ।সভায় সামাজিক দূরত্ব রাখতে হবে ,একজন নোডাল স্বাস্থ্য আধিকারিক রাখতে হবে, জনসভাগুলোতে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলকে থার্মাল স্ক্যানিং, ফেস মাস্ক ,স্যানিটাইজার প্রভৃতি রাখতে হবে ।
গণনা কেন্দ্রে একটি হলে সাতটির বেশি টেবিল থাকবেনা ,কন্ট্রোল ইউনিটের ফলাফল দেখার জন্য একটি ডিসপ্লে বোর্ড থাকবে । প্রতিটি ইভিএম ও ভিভিপ্যাট গণনার আগে স্যানিটাইজার করতে হবে। গণনা কেন্দ্রগুলি জীবাণুমুক্ত করতে হবে। ইভিএমগুলি সিলিং ও ডিসিলিং করার জন্য প্রতি টেবিলে একজন করে থাকবেন ।


বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২০

রাফেল সুন্দরী ভারতের হাতে, যুদ্ধের গতিপ্রকৃতি বদলে যাবে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় ।

  ভারত নিউজ - অবশেষে বহুপ্রতীক্ষিত রাফেল ভারতের মাটিতে ল্যান্ড করল। এই মুহূর্তে রয়েছে হরিয়ানার আম্বালাতে বায়ুসেনার ঘাঁটিতে। ফান্সে তৈরি এই রাফেল চালানার জন্য ভারতের পাইলটরা ফ্রান্সে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছে। ফরাসি রাফেল কথার অর্থ বাতাসের ঝাঁক, সামরিক অর্থে রাফেল কথার অর্থ আগুনের বিস্ফোরণ। রাফেল এর বিশেষত্ব এইযে শত্রুপক্ষের ছশো কিলোমিটার ভেতরে প্রবেশ করে আঘাত হানতে পারে। রাফেল এতটাই কার্যকরী ও অত্যাধুনিক যে ভারতের সামরিক সম্ভার আমূল বদলে দেবে। রাফেল নিয়ে হয়েছে বিস্তর জলঘোলা তবে শেষ পর্যন্ত ভারতীয় বায়ুসেনার হাতে এলো রাফেল।  মূলত ভারত - ফ্রান্সের মৈত্রী সম্পর্কের কারণে ভারতকে রাফেল দিতে সম্মত হয়। কেন, জরুরি ছিল রাফেলের মত অস্ত্র ? ভারতের সীমান্তে রয়েছে পাকিস্তানের মতো সন্ত্রাসবাদী দেশ এবং চীনের মতো সাম্রাজ্যবাদী দেশ।  বাংলাদেশ, আফগানিস্তানের মত দুর্বল শত্রুর কথা ছেড়েই দিলাম।  প্রতিবেশী ভালো হলে মানুষ সুখে থাকে কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত ভারতবর্ষ ভদ্রস্থ প্রতিবেশী পায়নি তাই ভারতকে আগ্রাসনের জন্য নয় নিজের সামরিক সুরক্ষার জন্য অস্ত্রসম্ভার বৃদ্ধি করতে হয়েছে। পাকিস্তান প্রতিটি দিন, প্রতিটি মুহূর্তে ভারতের সঙ্গে ছায়া যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে।  মদত রয়েছে চীনের অপরদিকে চীন একটি মহাশক্তিধর দেশ প্রযুক্তি, বিজ্ঞান, সামরিক কৌশল সবকিছুতেই অনেকটাই এগিয়ে এই কারণে  ১৯৬২ সালে ভারত চীনের কাছে বিপর্যস্ত হয়েছিল।  বিশ্বের যে পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্রগুলো রয়েছে তার মধ্যে ভারত, পাকিস্তান ও চীন প্রতিবেশী রাষ্ট্র এই অবস্থায় ভারতের প্রতিরক্ষা শক্তিশালী না করলে বিপন্ন হতো দেশের সুরক্ষা। কিছুদিন আগেই চীন ভারত আক্রমণ করেছিল। ভারতের কয়েকজন সৈনিক শহীদ হয়। ভারতও পাল্টা দেয় তাই চিন আর অগ্রসর হওয়ার সাহস পায়নি।  রাফেল পাকিস্তান-চীন উভয়ের কাছেই শিরঃপীড়ার যথেষ্ট কারণ হয়ে দাঁড়াবে। কিছু প্রতিক্রিয়াশীল মানুষ মন্তব্য করবেন যুদ্ধ নয় শান্তি চাই। দেশে চরম দারিদ্র্য তাহলে এত টাকার অস্ত্র কেনার কী দরকার ছিল। এক্ষেত্রে যেটা বলার দরকার খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা, কর্মসংস্থান এর সাথে দেশের সামরিক ব্যবস্থা, সুরক্ষা গুলিয়ে ফেললে বা ইচ্ছাকৃত নেতিবাচক মন্তব্য করলে হবেনা। প্রতিটি বিষয়ের জন্য পৃথক বরাদ্দ থাকে। খাদ্য সংকটের জন্য, দারিদ্র্যের জন্য দুর্নীতি দূর করতে হবে, রেশনিং ব্যবস্থায় ঘুঘুর বাসা সরাতে হবে। নিয়মিত কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে কিন্তু দেশের সুরক্ষা ঠিক না থাকলে বাকি সমস্ত কিছুই ভেঙে পড়বে তাই কারো উপর আগাম প্রয়োগ নয় নিজের সুরক্ষার জন্য রাফেল ঠিক যেভাবে পরমাণু নীতি নেওয়া হয়েছিল ।

রবিবার, ১০ মে, ২০২০

আজকের দিনেই পোখরান - ২ পারমাণবিক পরীক্ষা হয়েছিল ।


   ভারত নিউজ -  আজকের দিনেই হয়েছিল পোখরানে দ্বিতীয় পারমাণবিক পরীক্ষা। ভারতের পোখরানে ১৯৯৮ সালের ১১ মে তিনটি ও ১৩ মে দুটিসহ মোট পাঁচটি পারমাণবিক পরীক্ষা হয়েছিল  । এই পরীক্ষা করা হয়েছিল যখন প্রথম ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার ছিল ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অটল বিহারী বাজপেয়ী ছিলেন। এর আগে মে ১৮, ১৯৭৪ সালে পোখরানে ভারত প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা করেছিল তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী, এই বিস্ফোরণকে স্মাইলিং বুদ্ধ নামে অবহিত করা হয়। সেই পারমাণবিক পরীক্ষাটি ছিল জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচ সদসবৃন্দের বাইরে একটি জাতির দ্বারা এবং বিদেশী সাহায্য অথবা সহায়তা ব্যতীত প্রথম পারমাণবিক পরীক্ষা। দ্বিতীয় পারমাণবিক পরীক্ষা করার পর ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয় এই পরীক্ষা তারা নিজের সুরক্ষার জন্য করেছে কাউকে ভয় দেখানো বা কারোর উপর প্রয়োগ করার জন্য করেনি। এই পরীক্ষার পর ভারত ঘরে বাইরে প্রবল চাপের মুখে পড়ে। ভারতের ওপর বিভিন্ন বিদেশি দেশ অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যদিও ভারত সেই সমস্ত চাপ কাটিিয়ে উঠেছিল এবং পরবর্তীকালে সমস্ত নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়।
       

লকডাউন বৃদ্ধি না প্রত্যাহার কঠিন সিদ্ধান্তের মুখে ভারতবাসী ।

ভারত নিউজ - কেন্দ্রের লকডাউন শেষ হচ্ছে আগামী  সতেরোই মে, আরো বাড়তে পারে না লকডাউন এবার প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে জানার জন্য আরোও দু চারদিন অপেক্ষা করতে হবে কিন্তু কোনটা সঠিক সিদ্ধান্ত হবে বৃদ্ধি করা না প্রত্যাহার করা কার্যতঃ ভারতবাসী এবং ভারত সরকার উভয়ের কাছে এটা একটা উভয় সংকট। এতো কঠিন সিদ্ধান্ত গত কয়েক দশকে কোন সরকারকে নিতে হয়েছে কিনা জানা নেই । 
        এক্ষেত্রে দেশবাসীর মতামতটা খুব গুরুত্বপূর্ণ আর দেশবাসীর কাছে এটা একটা কঠিন সিদ্ধান্ত। জোর করে যদি লকডাউন প্রত্যাহার করা হয় আগের মত বাজারহাট খুলবে,  অফিস, কারখানা খুলবে, বাস চলবে। অর্থনীতি, রুজি রোজগার সচল হবে।  মূলত মানুষের জীবিকা, রুজি রোজগারের জন্য লকডাউন প্রত্যাহার করাটা এখন খুবই জরুরী কিন্তু যদি এমন হয় অর্থনীতি বাঁচাতে গিয়ে করোনা ভাইরাস ব্যাপকভাবে সংক্রমিত হলো। ভগবান না করুন, উপরওয়ালা না করুন মহামারীটা ব্যাপক মহামারীতে পরিণত হল কারণ সবচেয়ে বড় বিপদ মানুষের সাথে মানুষের সংস্পর্শে। ভারতবর্ষের মতো বিপুল জনসংখ্যার দেশে জীবনযাপন স্বাভাবিক হয়ে যাওয়া মানেই তো সর্বত্র বিপুল জমায়েত, ট্রেনে বাসে ভিড়ে চিড়ে চ্যাপ্টা হয়ে যাতায়াত।  সেক্ষেত্রে রুজি-রোজগার বাঁচাতে গিয়ে যদি দেশবাসীর প্রাণ সংশয় দেখা দেয় তখন তো এই প্রশ্নটাই সবাই করবে সরকার কেন এত তাড়াতাড়ি লকডাউন প্রত্যাহার করে নিল যেখানে বিশ্বের অনেক দেশ লকডাউন বাড়াচ্ছে।  মানুষ বলতেই পারে কেউ দাবি করতেই পারে কিন্তু সরকারকে পরিস্থিতি অনুযায়ী কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে যেহেতু এখনো ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়নি সেহেতু পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে গেলে সামলাবে কি করে !  তাছাড়া এত বড় দেশে যেখানে বিপুল জনসংখ্যা, বহু মানুষ অশিক্ষা, দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাস করে সেখানে সমস্ত মানুষ সচেতন হয়ে রাস্তায় বেরোবে এমন আশা করা দিবাস্বপ্ন। 
        এখন লকডাউন চলছে তাতেও বহু মানুষ বেপরোয়াভাবে রাস্তায় বেরোচ্ছে। ধরে নিলাম আশি শতাংশ মানুষ সচেতনভাবে রাস্তায় বেরোবে কুড়ি শতাংশ মানুষ নিয়ম কানুন না মেনে রাস্তায় বেরোবে কিন্তু এটা এমন একটা রোগ পাঁচ শতাংশ পজিটিভ রোগী পঁচানব্বই শতাংশ সুস্থ মানুষকে সংক্রমিত করে ফেলতে পারে। যদি লকডাউন বর্ধিত করা হয় তাহলে কি হতে পারে, করোনা পজিটিভ এর সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে এইভাবে কিছু বাড়তে পারে তবে ব্যাপকভাবে সংক্রমিত করতে পারবেনা, চূড়ান্ত মহামারীর পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছবেনা আশা করা যায়। কিন্তু অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য, অসংগঠিত ক্ষেত্রে জীবন-জীবিকা ইতিমধ্যেই সংকটের পর্যায়ে চলে গিয়েছে তাদের কিভাবে চলবে। সরকার কিছুদিন রেশনে চাল, ডাল, আটা দিল কিন্তু রেশনের খাদ্যে তো দীর্ঘদিন মানুষের সংসার চলবেনা তারজন্য নিয়মিত আয় করা দরকার। সরকার নাহলে কিছু নগদ সাহায্য করল কিন্তু তাও প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল হবে।  ডাক্তারের চেম্বার, নার্সিংহোম বন্ধ।  করোনা ছাড়াও মানুষের বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যা আছে। ক্যান্সার রোগীরা চিকিৎসা পাচ্ছে না, কিডনির ডায়ালিসিস বন্ধ, ব্লাড ব্যাংকে রক্ত সংকট,  মানুষের চলবে কিভাবে! 
      তাহলে এখন করনীয় কি, বড্ড কঠিন সিদ্ধান্ত! মানুষ যদি দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করতে দৃঢ় সংকল্প হয় তাহলে হয়তো সরকার লকডাউন আরোও কিছুদিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত  নিতে পারে। এখন সবকিছু নির্ভর করছে মানুষের মতামত, সরকারের বড় বড় মাথা তাদের সিদ্ধান্ত, চিকিৎসক, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পর্যবেক্ষণ প্রভৃতির ওপর। আর কিছু ছাড় কিছু খোলা অর্থাৎ মধ্যপন্থা নীতিতে চললে সকল দেশবাসীর সুরাহা হবেনা। মানুষ কি পারবে,  নিয়ম কানুন মেনে রাস্তায় বেরিয়ে সংক্রমণের সম্ভাবনাকে প্রতিহত করে দৈনন্দিন ও স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে। এটা ভারতবাসীর কাছে একটা বড় পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারলে তবেই অর্থনীতি বাঁচানো যাবে আবার মহামারীও প্রতিরোধ করা যাবে।

লকডাউন বৃদ্ধি না প্রত্যাহার কঠিন সিদ্ধান্তের মুখে ভারতবাসী ও ভারত সরকার ।

ভারত নিউজ - কেন্দ্রের লকডাউন শেষ হচ্ছে আগামী  সতেরোই মে, আরো বাড়তে পারে না লকডাউন এবার প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে জানার জন্য আরোও দু চারদিন অপেক্ষা করতে হবে কিন্তু কোনটা সঠিক সিদ্ধান্ত হবে বৃদ্ধি করা না প্রত্যাহার করা কার্যতঃ ভারতবাসী এবং ভারত সরকার উভয়ের কাছে এটা একটা উভয় সংকট। এতো কঠিন সিদ্ধান্ত গত কয়েক দশকে কোন সরকারকে নিতে হয়েছে কিনা জানা নেই । 
        এক্ষেত্রে দেশবাসীর মতামতটা খুব গুরুত্বপূর্ণ আর দেশবাসীর কাছে এটা একটা কঠিন সিদ্ধান্ত। জোর করে যদি লকডাউন প্রত্যাহার করা হয় আগের মত বাজারহাট খুলবে,  অফিস, কারখানা খুলবে, বাস চলবে। অর্থনীতি, রুজি রোজগার সচল হবে।  মূলত মানুষের জীবিকা, রুজি রোজগারের জন্য লকডাউন প্রত্যাহার করাটা এখন খুবই জরুরী কিন্তু যদি এমন হয় অর্থনীতি বাঁচাতে গিয়ে করোনা ভাইরাস ব্যাপকভাবে সংক্রমিত হলো। ভগবান না করুন, উপরওয়ালা না করুন মহামারীটা ব্যাপক মহামারীতে পরিণত হল কারণ সবচেয়ে বড় বিপদ মানুষের সাথে মানুষের সংস্পর্শে। ভারতবর্ষের মতো বিপুল জনসংখ্যার দেশে জীবনযাপন স্বাভাবিক হয়ে যাওয়া মানেই তো সর্বত্র বিপুল জমায়েত, ট্রেনে বাসে ভিড়ে চিড়ে চ্যাপ্টা হয়ে যাতায়াত।  সেক্ষেত্রে রুজি-রোজগার বাঁচাতে গিয়ে যদি দেশবাসীর প্রাণ সংশয় দেখা দেয় তখন তো এই প্রশ্নটাই সবাই করবে সরকার কেন এত তাড়াতাড়ি লকডাউন প্রত্যাহার করে নিল যেখানে বিশ্বের অনেক দেশ লকডাউন বাড়াচ্ছে।  মানুষ বলতেই পারে কেউ দাবি করতেই পারে কিন্তু সরকারকে পরিস্থিতি অনুযায়ী কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে যেহেতু এখনো ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়নি সেহেতু পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে গেলে সামলাবে কি করে !  তাছাড়া এত বড় দেশে যেখানে বিপুল জনসংখ্যা, বহু মানুষ অশিক্ষা, দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাস করে সেখানে সমস্ত মানুষ সচেতন হয়ে রাস্তায় বেরোবে এমন আশা করা দিবাস্বপ্ন। 
        এখন লকডাউন চলছে তাতেও বহু মানুষ বেপরোয়াভাবে রাস্তায় বেরোচ্ছে। ধরে নিলাম আশি শতাংশ মানুষ সচেতনভাবে রাস্তায় বেরোবে কুড়ি শতাংশ মানুষ নিয়ম কানুন না মেনে রাস্তায় বেরোবে কিন্তু এটা এমন একটা রোগ পাঁচ শতাংশ পজিটিভ রোগী পঁচানব্বই শতাংশ সুস্থ মানুষকে সংক্রমিত করে ফেলতে পারে। যদি লকডাউন বর্ধিত করা হয় তাহলে কি হতে পারে, করোনা পজিটিভ এর সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে এইভাবে কিছু বাড়তে পারে তবে ব্যাপকভাবে সংক্রমিত করতে পারবেনা, চূড়ান্ত মহামারীর পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছবেনা আশা করা যায়। কিন্তু অর্থনীতি, ব্যবসা-বাণিজ্য, অসংগঠিত ক্ষেত্রে জীবন-জীবিকা ইতিমধ্যেই সংকটের পর্যায়ে চলে গিয়েছে তাদের কিভাবে চলবে। সরকার কিছুদিন রেশনে চাল, ডাল, আটা দিল কিন্তু রেশনের খাদ্যে তো দীর্ঘদিন মানুষের সংসার চলবেনা তারজন্য নিয়মিত আয় করা দরকার। সরকার নাহলে কিছু নগদ সাহায্য করল কিন্তু তাও প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল হবে।  ডাক্তারের চেম্বার, নার্সিংহোম বন্ধ।  করোনা ছাড়াও মানুষের বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যা আছে। ক্যান্সার রোগীরা চিকিৎসা পাচ্ছে না, কিডনির ডায়ালিসিস বন্ধ, ব্লাড ব্যাংকে রক্ত সংকট,  মানুষের চলবে কিভাবে! 
      তাহলে এখন করনীয় কি, বড্ড কঠিন সিদ্ধান্ত! মানুষ যদি দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করতে দৃঢ় সংকল্প হয় তাহলে হয়তো সরকার লকডাউন আরোও কিছুদিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত  নিতে পারে। এখন সবকিছু নির্ভর করছে মানুষের মতামত, সরকারের বড় বড় মাথা তাদের সিদ্ধান্ত, চিকিৎসক, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পর্যবেক্ষণ প্রভৃতির ওপর। আর কিছু ছাড় কিছু খোলা অর্থাৎ মধ্যপন্থা নীতিতে চললে সকল দেশবাসীর সুরাহা হবেনা। মানুষ কি পারবে,  নিয়ম কানুন মেনে রাস্তায় বেরিয়ে সংক্রমণের সম্ভাবনাকে প্রতিহত করে দৈনন্দিন ও স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে। এটা ভারতবাসীর কাছে একটা বড় পরীক্ষা। এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারলে তবেই অর্থনীতি বাঁচানো যাবে আবার মহামারীও প্রতিরোধ করা যাবে।

সোমবার, ৪ মে, ২০২০

কোভিড - 19 এর বিরুদ্ধে লড়াইতে বিভক্ত চিকিৎসক সমাজ ।

       ভারত নিউজ - এক শ্রেণীর চিকিৎসক জীবন নাশকারী কোভিড -19 নামক ভাইরাসের বিরুদ্ধে জীবনবাজী রেখে লড়ছেন । প্রতিদিনই আইসোলেশানে থাকা বহু মানুষ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন । ঝুঁকি নিয়ে লড়াই করা চিকিৎসকদের জন্যই সেটা সম্ভব হচ্ছে । শুধু ঝুঁকি নিয়ে চিকিৎসা করাই নয় , পিপিই , মাস্ক , গ্লাভস পরে দিনের পর দিন চিকিৎসা করাটাও কষ্টকর কাজ । করোনা হাসপাতালে কঠিন নিয়মকানুনের মধ্যে চিকিৎসা করতে হয় ডাক্তার ও স্বাস্হ্যকর্মীদের , একচুল নিয়মের এদিকওদিক হলেই সংক্রমিত হবার আশঙ্কা । আরেক শ্রেণীর চিকিৎসক লকডাউন পালন করছেন । স্বাস্থ্য পরিষেবাকে লকডাউনের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে । কিন্তু , কিছু চিকিৎসক , ল্যাবরেটরি এমনকি গ্রামীণ চিকিৎসক ভাবছেন বেঁচে থাকলে সারাজীবন চিকিৎসা  করবো , কয়েকদিন নাহলে চিকিৎসা নাই করলাম । অথচ , কোভিড-19 চলাকালীন মানুষের অন্য কোনও সমস্যাও হতে পারে । তাহলে , মানুষ কি বিনা চিকিৎসায় পড়ে থাকবে ? চিকিৎসা পরিষেবাটা পেশা নয় , সেবা । ছোট বাচ্চাদের স্কুল বন্ধ । বাড়িতে দৌড়োদৌড়ি করতে গিয়ে পড়ে গিয়ে কেটে গেলে চিকিৎসা পাবেনা । মাস্ক , গ্লাভস পরে চিকিৎসা করতে আপনাদের কিসের সমস্যা । চেম্বারে সামাজিক দূরত্ব নিয়েই বসুন । খুব দরকার না থাকলে রোগীর গায়ে হাত দিতে হবেনা । বয়স্ক মানুষ চিকিৎসা না পেয়ে শয্যাশায়ী হয়ে আছেন । এভাবে , দুই মেরুতে অবস্থান করছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা । কেউ বিশ্বকে বাঁচাতে গিয়ে নিজে শহীদ হচ্ছেন । আরেকটা কথা উল্লেখ করতেই হয় , কোভিড-19 এর সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসকদের মধ্যে শতকরা একাশি শতাংশ গর্বিত যে এই মহান কাজে তাঁরা নিজেদের যুক্ত করতে পেরেছেন । এক তরুণী চিকিৎসক হতাশ হয়েছিলেন যখন দেখেন কোভিড-19 এর চিকিৎসায় চিকিৎসকদের প্যানেলে তাঁর নাম নেই । তাঁর অদম্য ইচ্ছায় তাঁকে প্যানেলে অর্ন্তভুক্ত করা হয় । প্রতীকি চিত্র ।

রেমডেসিভির কালোবাজারি , গ্রেফতার কয়েকজন , উদ্ধার রেমডেসিভির ।

দেশে ভয়াবহ মহামারীর সাথে সাথেই একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীর মদতে সৃষ্টি হয়েছে রেমডেসিভির কালোবাজারি । কালোবাজারে বিক্রি হচ্ছে অ্যান্টি-ভাইরা...