মঙ্গলবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২০

নন্দীগ্রাম - ১ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে কৃষি আইন বিরোধী সভা হল ।

পরিবর্তনের আঁতুড়ঘর নন্দীগ্রাম । একসময় জমি আন্দোলনের জন্য দেশ তথা দেশের সীমানা ছাড়িয়ে নন্দীগ্রামের নাম ছড়িয়ে পড়েছিল । বর্তমান রাজ্যের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পুনরায় উঠে আসছে নন্দীগ্রামের নাম । নন্দীগ্রাম বাসস্ট্যান্ডে আজ নন্দীগ্রাম - ১ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের উদ্যোগে কৃষি আইন বিরোধী সভা হল । মাত্র ষোল ঘণ্টার ব্যবধানে এই সভা ডাকা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন নন্দীগ্রাম -১ ব্লক তৃণমূলের নতুন সভাপতি স্বদেশ রঞ্জন দাস , নন্দীগ্রাম পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মুক্তিরানী মাইতি  , শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ পীযূষ কান্তি ভূঁইয়া , ভূমি কর্মাধ্যক্ষ খুশনবী সাহেব , পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সহ-সভাপতি শেখ সুফিয়ান , নন্দীগ্রাম - ৪ নম্বর পঞ্চায়েতের প্রধান বনশ্রী খাঁড়া সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ ।

বুধবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২০

আজ থেকে শুরু ভোটার তালিকার কাজ চলবে ১৫ ই ডিসেম্বর পর্যন্ত ।

আজ থেকে ভোটার তালিকায় নাম সংশোধন, সংযোজন ও বিয়োজনের কাজ শুরু হবে। চলবে ১৫ ই ডিসেম্বর পর্যন্ত। আপনার এলাকায় বুথে BLO দের সাথে যোগাযোগ করুন।
১) নতুন নাম তুলতে Form-6
২) অন্য বিধানসভা থেকে ভোট  ট্রান্সফার করার জন্যও Form-6 ( তবে সঠিক স্থানে টিক দেবেন এবং এপিক নং অবশ্যই লিখবেন ) 
৩) পরিবারের কোন ব্যক্তি মারা গেলে, বা কোনো কারণে নাম বাতিল বা বাদ দিতে হলে Form-7 ( তবে যিনি আবেদন করবেন তার পার্ট নং ও সিরিয়াল নং, এপিক নং লিখতে হবে )
৪) আপনার এপিক কার্ডে কোনো ভুল থাকলে তা সংশোধনের জন্য Form-8 ( নতুন ভোটার তালিকা থেকে পার্ট নং ও সিরিয়াল নং লিখবেন এবং কি সংশোধন করতে হবে সেটা বাংলায় বিস্তারিত লিখুন । তবে নামের বা আত্মীয়ের নামের পুরোপুরি পরিবর্তন সম্ভব নাও হতে পারে । )
 ৫) একই বিধান সভার মধ্যে একটি  বুথ থেকে অন্য বুথে ভোট ট্রান্সফার করার জন্য Form 8A . 

কাগজ পত্র নতুন নাম তোলার জন্য যা লাগবে -
1) বয়সের প্রমাণ
2) স্থায়ী বাসিন্দার প্রমাণ
3) পিতা /মাতার ভোটার কার্ড ও লিংকেজ । 

মৃত ব্যাক্তির নাম বাতিল করতে ডেথ সার্টিফিকেট দিতে হবে । 

সংশোধনের জন্য যা সংশোধন করতে চান তার স্বপক্ষে কাগজ দিতে হবে । 

এ বছর আপনার ফর্ম জমা করে BLO' র থেকে জেনে নেবেন আপনার হেয়ারিং হবে কিনা ।  কারণ সকলের হেয়ারিং নাও হতে পারে ।

সব সময় চেষ্টা করবেন আপনার ফর্ম প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই জমা  করতে তাতে ভুল ভ্রান্তি হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে ।

আরো বিস্তারিত জানতে আপনার এলাকার BLO' র সাথে যোগাযোগ করুন ও তাঁদের সহযোগিতা করুন ।

রবিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২০

মাস্টারমশাই আর কিছু দেখবেননা , উনি ইহজগতের মায়া কাটিয়ে পরলোকে চলে গিয়েছেন ।

মাস্টারমশাই আপনি কিন্তু কিছু দেখেননি । না উনি সত্যিই আর কিছু দেখবেননা কারণ মাস্টারমশাই সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ইহজগতের মায়া কাটিয়ে অন্য জগতে চলে গিয়েছেন । অপুর সংসার , ঝিন্দের বন্দী , চারুলতাসহ একাধিক সিনেমার জন্য তিনি প্রোথিতযশা অভিনেতা হিসেবে পরিচিত তবে বর্তমান প্রেক্ষিতে বিভিন্ন সময় তপন সিংহ পরিচালিত 'আতঙ্ক' সিনেমায় মাস্টারমশাই সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়কে বলা সেই বিখ্যাত লাইনটি উঠে আসে , "মাস্টারমশাই আপনি কিন্তু কিছু দেখেননি । " ২০২০ সালের ১ অক্টোবর বাড়িতে থাকা অবস্থাতে তিনি জ্বরে আক্রান্ত হন। পরে চিকিৎসকের পরামর্শমতো করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হলে ৫ অক্টোবর কোভিড-১৯ পজিটিভ রিপোর্ট পাওয়া যায়। এর পরের দিন ৬ অক্টোবর তাঁকে বেলভিউ নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয় । এখানে ১৪ ই অক্টোবর করোনার নমুনা পরীক্ষায় নেগেটিভ রিপোর্ট আসে। এরপর সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় খানিক সুস্থ হতে থাকেন। চিকিৎসা চলা অবস্থাতে ২৪ শে অক্টোবর রাতে অবস্থার অবনতি ঘটে। কিডনির ডায়ালাইসিস করানো হয়, প্লাজমা থেরাপি পূর্বেই দেওয়া হয়েছিল। অবস্থার অবনতি হতে থাকলে পরিবারের লোকজনকে জানানো হয়। অবশেষে ১৫ই নভেম্বর, ২০২০ তারিখে ভারতীয় সময় ১২টা ১৫ মিনিটে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার বেলভিউ হাসপাতালে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় মৃত্যুবরণ করেন। 
    সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমহার্স্ট স্ট্রীট সিটি কলেজে, সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা করেন। ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে তিনি প্রথম সত্যজিৎ রায়ের পরিচালনায় অপুর সংসার ছবিতে অভিনয় করেন। পরবর্তীকালে তিনি মৃণাল সেন, তপন সিংহ, অজয় করের মত পরিচালকদের সঙ্গেও কাজ করেছেন। সিনেমা ছাড়াও তিনি বহু নাটক, যাত্রা, এবং টিভি ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন। অভিনয় ছাড়া তিনি নাটক ও কবিতা লিখেছেন, নাটক পরিচালনা করেছেন।
     পরিচালক সৃজিত বাবু বলেন , "উনি একজন ইনস্টিটিউশন, বিশাল একটা বট গাছের মতো ।"

বৃহস্পতিবার, ১২ নভেম্বর, ২০২০

প্রয়াত রাজকুমার রায়ের স্ত্রী অর্পিতা রায় বর্মন ক্ষতিপূরণের চেক পেলেন ।

প্রয়াত রাজকুমার রায়ের স্ত্রী অর্পিতা রায় বর্মন ক্ষতিপূরণের চেক পেলেন, দীর্ঘ আন্দোলনের পরে । বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচনে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ এবং প্রয়াত হন তরুণ শিক্ষক রাজকুমার রায় । তাঁর স্ত্রী অর্পিতা রায় বর্মনের হাতে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ১০ লক্ষ টাকার চেক তুলে দেয় নির্বাচন কমিশন দপ্তর। রাজকুমার রায় হাই মাদ্রাসার ইংরেজির শিক্ষক ছিলেন । গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে তিনি প্রিসাইডিং অফিসার ছিলেন । ভোট শেষ হওয়ার পর রহস্যজনকভাবে তাঁর মৃত্যু হয় । রেললাইন থেকে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় ।

বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২০

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আজ বাঁকুড়ায় এলেন ।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ আজ বাঁকুড়ায় এলেন । মধ্যাহ্নভোজন সারলেন এক দলিত পরিবারে । উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি ও সাংসদ দিলীপ ঘোষ , পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়া , বিজেপি নেত্রী ভারতী ঘোষ সহ অন্যান্যরা । অমিত শাহ বিরসা মুন্ডার মূর্তিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন ।

বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২০

কোভিড-১৯ পজিটিভ অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য।

ফের করোনার থাবা টলিপাড়ায় । এবার কোভিড-১৯ পজিটিভ অভিনেত্রী অপরাজিতা আঢ্য। জানা গিয়েছে অভিনেত্রীর পরিবারের আরও বেশ কয়েকজন সদস্যের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে । চিকিত্‍সকের পরামর্শ মেনে বর্তমানে হোম আইসোলেশনে রয়েছেন অভিনেত্রী । তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তার কোনও কারণ নেই বলেই ঘনিষ্ঠ মহলসূত্রে খবর। বেহালায় যৌথ পরিবারেই বাস করেন অপরাজিতা আঢ্য । তাঁর পরিবারে রয়েছেন বয়স্ক শ্বশুর-শাশুড়ি । করোনা আবহে কাজে ফিরেছিলেন অপরাজিতা আঢ্য । সম্প্রতি স্টার জলসার কুকারি শো ‘রান্নাবান্না’তে দেখা যাচ্ছিল অপরাজিতা আঢ্যকে। কয়েকদিন আগেই জ্বর হয় অভিনেত্রীর। এরপর করোনা পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন নায়িকা। তারপরেই অভিনেত্রীর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে বলে জানা গিয়েছে । টলিউডে এর আগেও কয়েকজন করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন তবে প্রত্যেকেই  দ্রুত সুস্থ হয়ে গিয়েছিলেন । 
    অপরদিকে , ভারতে করোনা আক্রান্তের ক্ষেত্রে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ কমছে ।

শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২০

বিহার বিধানসভা নির্বাচনের কাউন্টডাউন শুরু ।

বিহার বিধানসভা নির্বাচনের কাউন্টডাউন শুরু ।  একটা সময় বিহার নির্বাচন মানেই ছিল আতঙ্কের নির্বাচন , খুন ,জখম ,সন্ত্রাস, ছাপ্পা  রিগিং এর প্রহর গোনা। বর্তমানে সেই পরিস্থিতির অনেকটাই পরিবর্তন হয়েছে নীতীশ কুমারের হাত ধরে এমনকি বিহারের সামাজিক অবক্ষয় দূর করতে মদ্যপান কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করেছেন তবে অনেকদিন ক্ষমতায় থাকার ফলে একটা প্রতিষ্ঠানবিরোধী মনোভাব দেখা যায় । তবে অধিকাংশ সমীক্ষাতেই উঠে আসছে লড়াই একটু হাড্ডাহাড্ডি হলেও নীতিশ কুমার পুনরায় ক্ষমতায় আসতে চলেছেন। প্রধান প্রতিপক্ষ লালুপ্রসাদের দল প্রবলভাবে দুর্নীতিতে বিদ্ধ অপরদিকে নীতীশ কুমার সুশাসক। বর্তমানে লালুপুত্র তেজস্বী যাদব বিহারে বিরোধী শিবিরে প্রধান মুখ অপরদিকে বিহারে শক্তিশালী বিজেপি নীতীশ কুমারের জোট সঙ্গী তবে সাম্প্রতিক কেন্দ্র সরকারের বেসরকারিকরণ, যুব সমাজের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে দিশাহীনতা, মূল্যবৃদ্ধিতে রাশ টানতে ব্যর্থতা প্রভৃতি কিছুটা ফ্যাক্টর হলেও হতে পারে যদিও এটা লোকসভা নির্বাচন নয় একটা রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। তবে যে কোনো নির্বাচনে পঞ্চায়েত থেকে পার্লামেন্ট সবকিছুরই একটা মিশ্র প্রভাব পড়ে থাকে সেইসঙ্গে বিহার নির্বাচনের আরেকটা তাৎপর্য হল করোনা আবহে এই প্রথম দেশে বৃহৎ নির্বাচন সম্পন্ন হতে চলেছে । মহামারী প্রতিরোধ করে সুষ্ঠ ভোট সম্পন্ন করা নির্বাচন কমিশনের কাছে একটা বিরাট চ্যালেঞ্জ সেইসঙ্গে করোনা প্রতিরোধে সরকারের ভূমিকাও একটা প্রভাব পড়তে চলেছে । বছর ঘুরলেই বিহারের প্রতিবেশী রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন । সেক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের আগে বিহারের ফলাফল প্রমাণ করবে দেশে এন ডি এর বর্তমান জনপ্রিয়তা । পশ্চিমবঙ্গে লড়াই হতে চলেছে বিজেপির সাথে তৃণমূলের । বিহারে এনডিএ ভালো ফল করলে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি কিছুটা অক্সিজেন পাবে এবং পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু আসন বিহারের সীমান্ত লাগোয়া । অপরদিকে বিহারে বিজেপির ফলাফল খারাপ হলে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের আগে বঙ্গের গেরুয়া শিবির কিছুটা ধাক্কা খাবে । ঝাড়খন্ডে বিজেপির সরকার থাকাকালীন পুরুলিয়া, বর্ধমান প্রভৃতি জেলায় বিজেপি কিছুটা সুবিধা লাভ করত । বিহার বিধানসভা নির্বাচনে বিরোধী শিবিরের রয়েছে আরেক তরতাজা মুখ কানহাইয়া কুমার যদিও লোকসভা নির্বাচনে বিহারের বেগুসরাই আসনে কানহাইয়া কুমারের ভরাডুবি হয়েছিল ।

রেমডেসিভির কালোবাজারি , গ্রেফতার কয়েকজন , উদ্ধার রেমডেসিভির ।

দেশে ভয়াবহ মহামারীর সাথে সাথেই একশ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীর মদতে সৃষ্টি হয়েছে রেমডেসিভির কালোবাজারি । কালোবাজারে বিক্রি হচ্ছে অ্যান্টি-ভাইরা...